২০১৭ সালে ছোট-বড় ৪ হাজার ৯৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ হাজার ৫৯০ জন যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিক হতাহত হয়েছে। মোট চার হাজার ৯৭৯টি দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ‍্যা ৭ হাজার ৩৯৭ জন। যার মধ‍্যে ৫ শতাধিক চালকও রয়েছেন। মোট দুর্ঘটনার মধ‍্যে গণপরিবহন (বাস) দুর্ঘটনা ১ হাজার ২৪৯টি। – সূত্র

গত কয়েক বছরের হিসাব অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ৬৪ জন মানুষ নিহত হয়। এসব দুর্ঘটনার কারণে প্রতি বছর ক্ষতি হয় ৩৪ হাজার কোটি টাকা! – সূত্র

ভয়ংকর সব পরিসংখ‍্যান। জানে ক্ষতি, মালে ক্ষতি। তবুও বিগত দিনগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কারো কোন কার্যকর তৎপরতা লক্ষ‍্য করা যায়নি। না সরকারের তরফ থেকে, না নাগরিকদের তরফ থেকে। বিভিন্ন জরিপকারী প্রতিষ্ঠান ও সাইনবোর্ড সর্বস্ব নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের লোকজন বছর বছর পেছনে ব‍্যানার টাঙিয়ে কিছু সাংবাদিক ডেকে আমাদেরকে উপরে বর্ণিত পরিসংখ‍্যানগুলো দেন। বড় কোন দুর্ঘটনা হলে টক শোতে গিয়ে কথা বলেন। কিন্তু যা করলে প্রাণহানি বন্ধ হবে ওই কাজটি কেউই করছিলেন না।

এই প্রথম একটি তৎপরতায় সবাই যেন নড়ে চড়ে বসেছেন। এতদিন যাদের নিষ্ক্রিয়তায় প্রাণহানি বন্ধ করা যায়নি, তাদের মুখে কথা ফুটতে শুরু করেছে। তাদের মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। যে ঘটনার কারণে মনে হচ্ছে ‘এবার হয়তো কিছু একটা হবে,’ সেই ঘটনাটি ঘটিয়েছে ১৮ মাইনাস প্রজন্ম। অর্থাৎ শিশুরা!

যখন বড় ভাইবোনেরা ব‍্যর্থ হয়েছে, বাবা মা ব‍্যর্থ হয়েছে, যখন রাষ্ট্র ব‍্যর্থ হয়েছে রাস্তায় মানুষের জানের নিরাপত্তার ব‍্যবস্থা করতে, তখন শিশুরা নেমে পড়েছে নিজের প্রাণ রক্ষার আন্দোলনে। তাদের আন্দোলন এই জাতির শিখর থেকে শিকড় পর্যন্ত টান দিয়েছে। তর্জনি বাড়িয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে দায় কার আর দায়িত্ব কার।

একজন স্কুল শিক্ষার্থী। তার বড় ভাই নেশা নিয়ে, মহল্লায় মাস্তানি অথবা ঘুষের বিনিময়ে চাকরি জোগাড়ের সংগ্রামে ব‍্যস্ত। চারপাশে কতশত অন্ধকারের হাতছানি। নিজে ডুবে যাচ্ছে সেসব অন্ধকারে। ঘরের ছোট ভাই বা বোনকে এসব অন্ধকার থেকে রক্ষা করার কোন চেষ্টা নেই, তাগিদ নেই। ঘর থেকে পা বাড়ালেই অরক্ষিত জনপদ। চোখের সামনে ছোট ভাইবোনেরা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, বড় ভাইয়ের কোন চিন্তা নেই।

বাবা ব‍্যস্ত কোন অফিসের টেবিলের নিচ দিয়ে খাম আদান প্রদানে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে চিকন বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের পকেট এবং অন‍্যের পকেটে অবৈধ ভারি পদার্থের আমদানি রপ্তানিতে। দিন শেষে ঘরে এসে বৌয়ের বাড়িয়ে দেয়া তোয়ালে দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন “সন্তানের ভবিষ‍্যতের জন‍্য কত কষ্ট করছি।” সন্তানের ভবিষ‍্যতের জন‍্য আপনি অনৈতিক কাজ করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বাবা বলবেন, “কী করবো ভাই, আমরাতো সিস্টেমের ভেতরে ঢুকে গেছি।”

অভিভাবকদের ছু’তার শেষ নেই। তারা সিস্টেমের ভেতরে ঢুকে যান, পড়ে যান। কিন্তু সিনা টান টান করে উঠে দাঁড়াতে পারেন না। যারা ফিটনেসহীন গাড়ি রাস্তায় চলতে দেন, লাইসেন্স ছাড়া ব‍্যক্তিকে গাড়ি চালাতে দেন, নকল লাইসেন্স সরবরাহ করেন, অযোগ‍্য ব‍্যক্তিকে লাইসেন্স দেন, তারা সবাই অভিভাবক। কারো বাবা মা, কারো ভাই বোন। এদের কারোরই সন্তান স্বজনের প্রাণ নিয়ে ‘চিন্তা’ নেই। আছে অনর্থক ‘দুশ্চিন্তা।’ উপরওয়ালা যেন স্বজনকে রক্ষা করে – মনে মনে নিশ্চয় এমনটিই ভাবেন। অথচ ফিটনেসহীন গাড়ি রাস্তায় নামালে, অযোগ‍্য লোকের হাতে লাইসেন্স তুলে দিলে উপরওয়ালা কেন, উপরওয়ালার বাপও তোমার স্বজন সন্তানকে নিরাপদ রাখতে পারবে না।

কেউ কারো দায় নেয়নি, দায়িত্ব পালন করেনি। সবাই সিস্টেমের দোহাই দিয়ে, সন্তানের ভবিষ‍্যতের (?) দোহাই দিয়ে যার যার কাজ বাদ দিয়ে আকাজে ডুবে মরছে। রাস্তায় বুড়ো মরছে, জওয়ান মরছে, শিশু মরছে। মারছে, মরছে, সৎকার ও কান্না হচ্ছে। এই মারা-মরা-কান্না-সৎকারের চক্রে ঘুরেছি আমরা। কিন্তু কেউ না কেউ চক্র থেকে বেরিয়ে আসে। এসেছে। শিশুরা। তারা বলছে বিচার চাই, জানের নিরাপত্তা চাই, বাঁচতে চাই। বলছে – আমরা রাস্তার পাশে বাসের জন‍্য অপেক্ষা করছিলাম, একটি বাস আরেকটি বাসের সাথে প্রতিযোগিতা করতে করতে এসে আমাদের গায়ের উপর কেন উঠলো?

শিশুরা মনে করিয়ে দিচ্ছে পরিসংখ‍্যান অনুযায়ী ২০১৬ সালের সড়ক দুর্ঘটনার ৫৩ শতাংশ ঘটেছে গতি প্রতিযোগিতার কারণে। কিসের এই প্রতিযোগিতা, কেন এই প্রতিযোগিতা। কোথা হতে তাদের এই সাহস আসে? এসব প্রশ্ন তুলছে তারা।

শহরের মোড়ে মোড়ে রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে তারা। পুলিশ বলছে রাস্তা বন্ধ করা অপরাধ, সরে দাঁড়া। জবাবে শিশুরা বলছে-

যদি অপরাধ হয়েই থাকে, অপরাধ করেছে সালাম জব্বার রফিকেরা। অপরাধ করেছেন বঙ্গবন্ধু। তারা শিখিয়েছেন কিভাবে রুখে দাঁড়াতে হয়।

পুলিশ এসে তাদেরকে নির্মমভাবে পিটিয়েছে, রাবার বুলেটে রক্তাক্ত করেছে। তারপর শিশুরা পিছঢালা রাজপথে লিখে দিয়ছে-

পুলিশ কোন চ‍্যাটের বাল!

কেউ কেউ বলাবলি করছে, এভাবে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করা ঠিক না। তাছাড়া সরকার যে পরিমাণ মারমুখী, বাচ্চাদেরকে আরো পেটাবে। জবাবে শিশুরা বলছে-

যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ। যদি তুমি রুখে দাঁড়াও, তবে তুমি বাংলাদেশ।

মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে অনেক গান শুনেছেন, স্লোগান শুনেছেন। এমন স্লোগান কখনো শুনেছি? শুনিনি। কারণ এই স্লোগান এই প্রথম বাংলাদেশের বিপ্লবী শিশুরা ব‍্যবহার করেছে। তাই আমরাও এই প্রথম শুনেছি।

গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময় দেখেছি ভোরে বাসা থেকে বেরিয়ে শাহবাগে স্লোগান দিয়ে তারপর ক্লাসে গেছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। আবার ক্লাস শেষ করে এসে যে যেভাবে পেরেছে, বসে সম্মিলিত স্লোগান ধরে তারপর বাসায় ফিরেছে। এদেরকে কেউ দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়া লাগে না। শিশুরা জানে তাদের কী করণীয়। জানে না বুড়োরা। এই শিশুরা বড় হয়। আর আমরা বুড়োরা নিজেদের বিশাল দুর্বৃত্তায়নের মিছিলে তাদেরকে টেনে নিয়ে আসি। তারপর ওরাও আমাদের মত বুড়ো হয়ে যায়। অংকুরে বিনষ্ট হয় তাদের দায়িত্ব সচেতনতা।

এবার শিশুদের কাজ শিশুরা করছে, দুর্বৃত্তের কাজ দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তকে বলা হয়, “আপনিতো পরিবহন শ্রমিকদের আশ্রয়দাতা। সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মারা গেছে।” দুর্বৃত্ত বলে –

হে হে হে, এটা কি রিলেভেন্ট হলো? আমিতো নৌ পরিবহন মন্ত্রী! তাছাড়া ভারতে একটি দুর্ঘটনায় একসাথে ৩৩জন মারা গেছে, এটা নিয়ে ওখানে কেউ কিছু বলছে না। বাংলাদেশে একটু এদিক সেদিক হলেই হৈ চৈ পড়ে যায়!

দুর্বৃত্ত হাসে। সবাই হতাশ হয়, ক্ষুব্ধ হয়। দুর্বৃত্ত আবার হাসে। বলে –

যারা বেকুবের মত অথবা জানোয়ারের মত হাসে, সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে ভালোবাসেন!

মানুষ আবার হতাশ হয়, ক্ষুব্ধ হয়। দুর্বৃত্ত বলে –

হে হে হে, আমার এতটুকুন হাসিতে যদি সমস‍্যা হয়, তাহলে আর হাসবো না!

হাসবি না হারামজাদা। তুই হাসলে বাংলাদেশ কাঁদে। তুই আর হাসবি না।

রাস্তায় আন্দোলনরত ওই শিক্ষার্থীরা এই হারামজাদাকে চিনেছে। চিনেছে এই জানোয়ারের হাসিকে। তারা বুঝেছে এমন জানোয়ারের দরকার নেই। এদের নখের আঁচড়ে বাংলাদেশ আজ ক্ষতবিক্ষত। তাই এক কলেজছাত্র তার ব‍্যানারে আকুতি জানিয়েছে টাকা জমিয়ে টাইম ট্রাভেল করে অতীতে গিয়ে জানোয়ার শাহজাহান খানের বাবাকে কনডম কিনে দেয়ার। সাবাশ প্রজন্ম! সমস‍্যার একেবারে গোড়ায় হাত দিয়েছ। মুখ দিয়েছেন যিনি, আহার দিবেন তিনি – এই প্রকল্পের ফাঁক গলে লাখ লাখ জানোয়ার ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে।

সব দায়িত্ব যেন শিশুরা কাঁধে তুলে নিয়েছে। তারা রাস্তায় গাড়ির লাইসেন্স চেক করছে। পুলিশের গাড়ির চালকের লাইসেন্স না থাকায় আটকে রেখেছে। গতিরোধ করেছে প্রভাবশালী মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের গাড়ি। তার গাড়ি সড়কের উল্টো দিক দিয়ে যাচ্ছিলো। বিক্ষুব্ধ ছাত্র/জনতার ভাঙা গাড়ির কাঁচ পরিষ্কার করছে অপর একটি শিক্ষার্থী দল। শহরের ট্রাফিক কন্ট্রোল করছে তারা। রিকশা, অটোরিক্সা, এমনকি বাইকও সারিবদ্ধ! ইমার্জেন্সী রোগীর এম্বুলেন্স, বৃদ্ধলোকের রিক্সা, নারী ও শিশুদের বাহন নিজ দায়িত্বে সামনে এগিয়ে দিচ্ছে। কেউ তাদেরকে অনুরোধ করতে হচ্ছে না। চোখে পড়লেই এগিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। তারা বলছে বাংলাদেশের সকল জনপ্রতিনিধিকে সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন পাবলিক বাসে চড়ে অফিসে যেতে হবে। শিক্ষার্থীরা শেখাচ্ছে, দেখাচ্ছে, কিভাবে সবকিছু চলতে হয় আর চালাতে হয়।

একটি আন্দোলন হাজারটা মেসেজ দিচ্ছে। তাই আমরাও হাতে কিছু কাজ পেলাম। যার যার মেসেজ তার তার কাছে পৌঁছে দেয়ার। শিশুদের কাজ শিশুরা করছে। আমাদের কাজও আমরা করি।

শিশুরা অভিভাবকদের বলছে –

তোমার শিশু সন্তানটিকে কেন ক্লাস বাদ দিয়ে রাস্তায় পুলিশের বেধড়ক পিটুনি খেতে হচ্ছে? কারণ তুমি আমাদের জীবন রক্ষায় ব‍্যর্থ। তোমরা সিস্টেমে ঢুকে গেছো, পড়ে গেছো, ডুবে গেছো। উঠো, বুক টান টান করে উঠে দাঁড়াও। সন্তানের পাশে এসে দাঁড়াও। হাতে হাত রেখে স্লোগান দাও।

সড়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আর পরিবহন সন্ত্রাসী শাহজাহান খানকে বলছে –

আপনাদের কোন প্রয়োজন নেই। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের মানচিত্রে আপনারা কেবলই বিষফোঁড়া। সরে দাঁড়ান। না হয় টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে দিবো। আমরা আর ‘অবুঝ শিশু’ নই। আমরা আপনাদের চেয়ে অনেক ভালো বুঝি, বেশি বুঝি।

সরকারি কর্মচারীদের বলছে –

হাতে অবৈধ টাকা নিতে আপনাদের হাতটা যেন কাঁপে। যেন কাঁপতে কাঁপতে ওসব টাকার শরীর থেকে অনেক দূরে সরে যায়। যে হাতে অবৈধ টাকার স্পর্শ আছে, সেই হাতে সন্তানের শরীর থেতলানো রক্ত লেগে আছে।

যানবাহন চালকদের বলছে –

আপনাদের হাতে স্টিয়ারিং হুইল না। মানুষের জীবন। মানুষের জীবন নিয়ে খেলবেন না। মানুষের প্রাণ হরণের দায়িত্ব আপনাকে দেয়া হয়নি।

পুলিশকে বলছে –

আন্দোলনে পেটানোটা আপনাদের অভ‍্যাসে পরিণত হয়েছে। কোথাও বিক্ষুব্ধ জনতা দেখলেই পেটানোর জন‍্য হাত নিশপিশ করে? জনতার কাতার থেকে এত দূরে সরে যাচ্ছেন কেন? কাকে পেটাচ্ছেন? স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের? কেন পেটাচ্ছেন? অভ‍্যাসবশতঃ নাকি ভয়ে? কিসের এত ভয়? এমন কী অনৈতিক কাজে নিজেদেরকে জড়িয়েছেন যে বিশুদ্ধ যেকোন কিছুতে আপনাদের এত ভয়? ভয়কে জয় করুন। প্রমাণ করুন ধ্বংসের শেষপ্রান্ত থেকেও ঘুরে দাঁড়ানো যায়। ফিরে আসুন, আসুন জনতার কাতারে। দেখবেন এই বাংলাদেশ কত সুন্দর, কত শুভ্র, কত সতেজ!

প্রধানমন্ত্রীকে বলছে –

আপনার লজ্জা থাকা উচিত। পুলিশ যখন রাস্তায় আমাদেরকে মারছে, আপনি তখন নিজের বাচ্চার নামে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধন করছেন! জাতির ভবিষ‍্যত প্রজন্মের সাথে এরকম উপহাস করার জন‍্য আপনাকে ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বানানো হয়নি। আপনার কাছে শিশুরা নিরাপদ নয়। গডফাদার শাহজাহান খানরা নিরাপদ। আমাদেরকে রক্ষায় আপনার কোন চেষ্টা নেই। আপনার সব সংগ্রাম শাহজাহান খানদের রক্ষায়। আপনি দেশ ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব‍্যর্থ। যেমন ব‍্যর্থ হয়েছে আপনার পূর্বের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তাদের ব‍্যর্থতার দায় নিয়ে ভেঙে পড়ছেন কেন? ঘুরে দাঁড়ান। প্রায়শ্চিত করুন। মুছে ফেলুন আপনি ও আপনার পূর্বসূরীদের ব‍্যর্থতা। ছুঁড়ে ফেলে দিন চারপাশের জানোয়ারদের। আশ‍্রয় নিন আমাদের মাঝে, ভবিষ‍্যত প্রজন্মের মাঝে। আমরা আপনাকে দেখে রাখবো।

ছাত্র বিদ্রোহের এই বার্তাগুলো যার যার কাছে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমরা পৌঁছে না দিলে এই কথাগুলো তাদের কাছে পৌঁছাবে না। কারণ তারা কয়েক স্তরের জনতাবিরোধী নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বন্দী।

 

আন্দোলনের আপডেট পেতে –

এক্সক্লুসিভ : We Want Justice শ্লোগানে মুখরিত ঢাকা (আপডেট)

Facebook Comments

কিছু বলুন

দয়া করে মন্তব‍্য করুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.